চিকিৎসার পর আশা নিয়ে আয়নার সামনে তাকালেও তা দুমড়ে যায়। এই চেহারা কীভাবে মানুষকে দেখাব? অমঙ্গলের চিহ্ন মনে করে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠান কোথাও যেতে দেওয়া হয় না। রাস্তায় মুখ ঢেকে বের হতে হয়। স্কুলের বন্ধুরা পাশে বসতে চায় না। বীভৎস চেহারার জন্য চাকরিও হারাতে হয়। ১৯৯৮ সালে অ্যাসিডদগ্ধ রুনা লায়লা এভাবেই বলে যাচ্ছিলেন। তিনি বলতে থাকেন, অ্যাসিডদগ্ধ হওয়ার পর বেশির ভাগ মেয়ে বিয়ের মুখোমুখি হতে চান না। অনেকে বিয়ে করলেও নতুন করে বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণাটাই শুধু তীব্র হয়। আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। ঘুমালেও...

